Archive | জুলাই 2012

প্রকৃত সুখের সন্ধান; মায়ের প্রতি ভালবাসা ।

পৃথিবীর আলো আমরা প্রত্যেকেই দেখেছি দু’জন মানব-মানবীর মাধ্যমে স্রষ্টার অপার মহিমায় । আর এই দু’জন মানব-মানবী হলেন আমাদের মা আর বাবা । ভূমিষ্ট হওয়ার পর মাটি স্পর্শ করার আগেই যার কুলে আমাদের বসবাস তিনি আমাদের সেই গর্ভধারীনী “মা” । কষ্ট শব্দটি সবসময় তার কাছে অপরিচিতই মনে হয়েছে ।এই ভূমন্ডলে আসার আগে ১০ মাস ১০ দিন তাকে অসহ্য যন্ত্রনা দিয়েছি আমরা ।কিন্তু ভুমিষ্ট হওয়ার পর আমাদের মুখ দেখে এই মমতাময়ীর ভূবনভুলানো হাসি তার সব কষ্ট মুছে দেয় । নিজের জীবনের চেয়েও প্রিয় হয়ে যায় তার সন্তান । আর এই সন্তানের মাঝেই সে খোঁজে পায় পৃথিবীর সব সুখ ।ছোট ছোট স্বপ্ন দেখতে থাকে নিজের ছেলে বা মেয়েটিকে নিয়ে ।রাত-দিন, সময়, অসময় কিছুই বুঝে না অবুঝ সন্তান, নিজের প্রয়োজন হলেই কান্না আর মাকে জ্বালাতন ।মায়ের মুখে কি তবুও একটু বিরক্তির চিহ্ন পাওয়া যায় ? নিশ্চই না, কারন এই সন্তানই যে তার কলিজার টুকরো ।শত কষ্ট হাসি মুখে সহ্য করে তিলে তিলে এই অবুঝ শিশুটিকে বড় করে তোলে এই মা ।কত শীতের রাত যে ভিজা বিচানায় নিজে ঘুমুন আর কত রাত যে নিদ্রহীন ভাবে কাটিয়ে দেন, তা শুধু এই মহামানবীই বলতে পারবে । বিস্তারিত পড়ুন

Advertisements

শিখে নিন, কিভাবে টাই বাধতে হয় – (চিত্র সহ) ।

আমাদের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রয়োজনে ফরমাল পোষাক পড়তে হয় । আর চাকুরীজীবীদের তো কথাই নেই, প্রায় প্রতিদিনই ফরমাল পোষাক-আশাক পড়তে হয় ।এই ফরমাল ড্রেসের ক্ষেত্রে অপরিহার্য যে বিষয়টি সেটি হচ্ছে টাই । অনেকে টাই পড়তে পছন্দ করেন না, আবার অনেকে ইচ্ছে করেই টাই পড়েন না । কিন্তু বিশেষ প্রয়োজনে কোন না কোন সময় টাই পড়তেই হয় ।

অবিশ্ব্যস্য হলেও সত্য যে, শিক্ষিত এমন কি চাকুরীজীবী অনেকেই টাই পড়তে জানেন না । কারো মাধ্যমে টাই বাধিয়ে রেখে দেন এবং অনেক দিন পর্যন্ত এক বাধাতেই চলে যায় (বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি)।

যাই হোক এবার কাজের কথায় আসি । আসুন দেখি কিভাবে টাই বাধতে হয় । নিচের চিত্রগুলো অনুসরন করুন কয়েক মিনিটেই শিখে ফেলবেন টাই বাধা । বিস্তারিত পড়ুন

পদ্না সেতু, একজন বিশেষ ব্যাক্তি এবং বাংলাদেশ ।

পদ্না সেতু, পদ্না সেতু, পদ্না সেতু, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যে বিষয়টি বর্তমানে বহুল আলোচিত তা হল “পদ্না সেতু” । দেশের আর্থ-সামজিক উন্নয়নে পদ্না সেতু গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালান করবে এ কথা নিশ্চিত । সাথে সাথে এ কথাটিও নিশ্চিত যে পদ্না সেতু নির্মান করতে পারলে আওয়ামীলীগ সরকার তাদের নির্বাচনী ইশতিহারেরে অনেক বড় একটি অংশ বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হবে ।দেশের উন্নয়নের জন্যই হোক, নিজেদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্যই হোক আর যে কারনেই হোক, সেতুটি নির্মান হলে দেশরে উন্নয়ন হবে এ কথা নি:সন্দেহেই বলা যায় ।

এই পদ্না সেতুর নাম শুনলেই যে বিষয়টি চোখের সামনে বার বার ভেসে আসে সেটি হল “বিশ্ব ব্যাংক” ।আমরা তৃতীয় বিশ্বের একটি উন্নয়নশীল এবং দরিদ্র দেশ । যে দেশটির বড় বড় উন্নয়নমুলক কাজ করতে হলে প্রয়োজন হয় দাতা সংস্থাদের ঋনের । হ্যা, আমরা দাতা সংস্থাদের নিকট থেকে ঋন নেই কিন্তু ভিক্ষা নেই না । ঋন প্রদানের মাধ্যমে তারাও তাদের যথেষ্ট স্বার্থ উদ্দার করেন । বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দাতা সংস্থা এই বিশ্ব ব্যাংক । তারা তাদের সিদ্বান্ত জানিয়ে দিয়েছে পদ্না সেতু নির্মানে তারা ঋন দিবে না । কেন ঋন দিবে না ? আমরা কি তাদের এই ঋন পরিশোধ করতে পারব না । আসলে কারণ তা নয় । বিস্তারিত পড়ুন