প্রকৃত সুখের সন্ধান; মায়ের প্রতি ভালবাসা ।

পৃথিবীর আলো আমরা প্রত্যেকেই দেখেছি দু’জন মানব-মানবীর মাধ্যমে স্রষ্টার অপার মহিমায় । আর এই দু’জন মানব-মানবী হলেন আমাদের মা আর বাবা । ভূমিষ্ট হওয়ার পর মাটি স্পর্শ করার আগেই যার কুলে আমাদের বসবাস তিনি আমাদের সেই গর্ভধারীনী “মা” । কষ্ট শব্দটি সবসময় তার কাছে অপরিচিতই মনে হয়েছে ।এই ভূমন্ডলে আসার আগে ১০ মাস ১০ দিন তাকে অসহ্য যন্ত্রনা দিয়েছি আমরা ।কিন্তু ভুমিষ্ট হওয়ার পর আমাদের মুখ দেখে এই মমতাময়ীর ভূবনভুলানো হাসি তার সব কষ্ট মুছে দেয় । নিজের জীবনের চেয়েও প্রিয় হয়ে যায় তার সন্তান । আর এই সন্তানের মাঝেই সে খোঁজে পায় পৃথিবীর সব সুখ ।ছোট ছোট স্বপ্ন দেখতে থাকে নিজের ছেলে বা মেয়েটিকে নিয়ে ।রাত-দিন, সময়, অসময় কিছুই বুঝে না অবুঝ সন্তান, নিজের প্রয়োজন হলেই কান্না আর মাকে জ্বালাতন ।মায়ের মুখে কি তবুও একটু বিরক্তির চিহ্ন পাওয়া যায় ? নিশ্চই না, কারন এই সন্তানই যে তার কলিজার টুকরো ।শত কষ্ট হাসি মুখে সহ্য করে তিলে তিলে এই অবুঝ শিশুটিকে বড় করে তোলে এই মা ।কত শীতের রাত যে ভিজা বিচানায় নিজে ঘুমুন আর কত রাত যে নিদ্রহীন ভাবে কাটিয়ে দেন, তা শুধু এই মহামানবীই বলতে পারবে । বিস্তারিত পড়ুন

শিখে নিন, কিভাবে টাই বাধতে হয় – (চিত্র সহ) ।

আমাদের বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্রয়োজনে ফরমাল পোষাক পড়তে হয় । আর চাকুরীজীবীদের তো কথাই নেই, প্রায় প্রতিদিনই ফরমাল পোষাক-আশাক পড়তে হয় ।এই ফরমাল ড্রেসের ক্ষেত্রে অপরিহার্য যে বিষয়টি সেটি হচ্ছে টাই । অনেকে টাই পড়তে পছন্দ করেন না, আবার অনেকে ইচ্ছে করেই টাই পড়েন না । কিন্তু বিশেষ প্রয়োজনে কোন না কোন সময় টাই পড়তেই হয় ।

অবিশ্ব্যস্য হলেও সত্য যে, শিক্ষিত এমন কি চাকুরীজীবী অনেকেই টাই পড়তে জানেন না । কারো মাধ্যমে টাই বাধিয়ে রেখে দেন এবং অনেক দিন পর্যন্ত এক বাধাতেই চলে যায় (বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে বলছি)।

যাই হোক এবার কাজের কথায় আসি । আসুন দেখি কিভাবে টাই বাধতে হয় । নিচের চিত্রগুলো অনুসরন করুন কয়েক মিনিটেই শিখে ফেলবেন টাই বাধা । বিস্তারিত পড়ুন

পদ্না সেতু, একজন বিশেষ ব্যাক্তি এবং বাংলাদেশ ।

পদ্না সেতু, পদ্না সেতু, পদ্না সেতু, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যে বিষয়টি বর্তমানে বহুল আলোচিত তা হল “পদ্না সেতু” । দেশের আর্থ-সামজিক উন্নয়নে পদ্না সেতু গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালান করবে এ কথা নিশ্চিত । সাথে সাথে এ কথাটিও নিশ্চিত যে পদ্না সেতু নির্মান করতে পারলে আওয়ামীলীগ সরকার তাদের নির্বাচনী ইশতিহারেরে অনেক বড় একটি অংশ বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হবে ।দেশের উন্নয়নের জন্যই হোক, নিজেদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের জন্যই হোক আর যে কারনেই হোক, সেতুটি নির্মান হলে দেশরে উন্নয়ন হবে এ কথা নি:সন্দেহেই বলা যায় ।

এই পদ্না সেতুর নাম শুনলেই যে বিষয়টি চোখের সামনে বার বার ভেসে আসে সেটি হল “বিশ্ব ব্যাংক” ।আমরা তৃতীয় বিশ্বের একটি উন্নয়নশীল এবং দরিদ্র দেশ । যে দেশটির বড় বড় উন্নয়নমুলক কাজ করতে হলে প্রয়োজন হয় দাতা সংস্থাদের ঋনের । হ্যা, আমরা দাতা সংস্থাদের নিকট থেকে ঋন নেই কিন্তু ভিক্ষা নেই না । ঋন প্রদানের মাধ্যমে তারাও তাদের যথেষ্ট স্বার্থ উদ্দার করেন । বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দাতা সংস্থা এই বিশ্ব ব্যাংক । তারা তাদের সিদ্বান্ত জানিয়ে দিয়েছে পদ্না সেতু নির্মানে তারা ঋন দিবে না । কেন ঋন দিবে না ? আমরা কি তাদের এই ঋন পরিশোধ করতে পারব না । আসলে কারণ তা নয় । বিস্তারিত পড়ুন

ফেইসবুক যদি বিশ্ববিদ্যালয় হত তাহলে এমন আবেদন নিশ্চই অযৌক্তিক হত না (রম্য লেখা )

বরাবর

মার্কজুকার বার্গ

ফেইসবুক বিশ্ববিদ্যালয়।

বিষয়: ফেইসবুক বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ ক্যম্পাসের শারীররিক এবং মানসিক উন্নয়নের জন্য আবেদন।

 

জনাব,

আপনি জানিয়া খুশি হইবেন যে আমরা আপনার বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মিত ছাত্র-ছাত্রী। আপনার বহুল জননন্দিত এবং নিন্দিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু ছাত্র-ছাত্রীর সম্ভাবনাময় প্রতিভা আজ মৃতু্র প্রহর গুনিতেছে ।কেননা অতীতে আমরা দেখিয়াছি বহু প্রেমিক-প্রেমিকারা বিশাল কাগজে প্রেম পএ লিখিয়া প্রেমিকার নিকট অনেক নির্মাধীন পদ্বা সেতু পেছনে ফেলিয়া আবুল হোসেনের কথা না ভাবিয়াই প্রেম পত্রখানা পৌছাইয়া দিত। কিন্তু আজকাল সেই সব প্রতিভাবান ছাত্র-ছাত্রীরা আর প্রেম পত্র পাঠায় না ।কম্পিউটারের কী-বোর্ডের উপর অকঠ্য নির্যাতন করিয়া অথবা মোবাইলের কী গুলোকে অসহ্য যন্ত্রনা দিয়া বাংলা, ইংরেজী, হিন্দি ভাষার মিস্রনে ম্যসেজ নামক চিরকুট পাঠায় ।তাই বাংলাদেশের মত গরীব দেশে এই প্রেমপত্র শিল্প আজ চরম হুমকির মুখে। বিস্তারিত পড়ুন

আসুন ম্যজিক শিখি-কিভাবে পানিতে সুই ভাসে।আর হয়ে যাই ছোট্র একজন ম্যজিসিয়ান ।

ম্যজিক দেখতে কার না ভাল লাগে ? আমরা ম্যজিক দেখলে অনেক মজা পাই । কারন আপাত অসম্ভব একটা জিনসই আমাদের সামনে সম্ভবপর করে উপস্থাপন করা হয় ম্যজিকের মাধ্যমে । হুম এরকম একটা ম্যজিকই শিখিয়ে দিচ্ছি আপনাকে ।তাহলে কথা না বাড়িয়ে –

আসুন এবার কাজের কথায়। বিস্তারিত পড়ুন

জেনে নিন আপনার ভুলে যাওয়া সিমের নাম্বার (GP, ROBI, BANGLALINK, AIRTEL, TELETALK) ।

মোবাইল ফোনের সবচেয়ে অপরিহার্য যে অংশটি সেটা হচ্ছে সিম কার্ড । অনেক দিন ব্যবহার না করার ফলে অথবা অন্য যে কোন কারনে দেখা যায় প্রায় সময় আমরা সিমের নাম্বার ভূলে যাই ।সিমে টাকা নাই, এই নাম্বারটি করো জানাও নেই ঠিক তখনই মহা বিপদে পড়তে হয় । ফোন-ফ্যাক্স এর দোকানে গিয়ে দেখা যায় এই সিমের কার্ডও নাই । তখন কি করবেন ?

হ্যা, এই সমস্যার সমাধানই দিচ্ছি আপনাদের । আপনার সিমের নাম্বারটি জানার জন্য সিম অনুসারে নিচের কোড গুলো ব্যবহার করুন ।

জিপি = *২# বিস্তারিত পড়ুন

প্রধানমন্ত্রীর প্রতি এক তরুণের লেখা খোলা চিঠি ।

প্রিয় প্রধানমন্ত্রী,
সালাম নিবেন । অশা নয় বিশ্বাস করি ভাল আছেন । জানি এত ছোট মুখের কতা এত বড় কানে গিয়ে পৌছোবে না । তবুও লিখতে বসলাম । আপনি আমাদের দেশের প্রধান, ১৬ কোটি মানুষের প্রতিনিধি । এই ১৬ কোটি মানুষের ভালবাসা , বিশ্বাস আর গণতান্ত্রিক ভোটাধিকার চর্চাই পৌছে দিয়েছে আপনাকে ক্ষমতার শীর্ষে । আপনার নির্বাচনী অঙ্গীকার, দেশকে বদলে দেওয়ার স্লোগান, ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন সব কিছুই ছিল এ দেশের মানুষের পরম আকাঙ্খিত । দেশের দরিদ্র, ক্ষুদার্ত, নিপীড়িত, অসহায়, শ্রমিক, কর্মজীবী, ছাত্র, নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত, উচ্চবিত্ত সব শ্রেণীর মানুষই স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল । পরিবর্তনের স্লোগান সবার হৃদয়ে এক নতুন বাংলাদেশের জন্ম দিতে শুরু করেছিল । আর আমরা লক্ষ লক্ষ তরুণরা পেয়েছিলাম এক সীমাহীন আত্নবিশ্বাস । বিস্তারিত পড়ুন